যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় হামাসের দ্বারা আরও ৪ ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস, যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে আরও ৪ ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলের হাতে হস্তান্তর করেছে। এর আগে, ৬০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি কারাবন্দিকে মুক্তি দেয়ার পর হামাস এই মরদেহগুলো ফেরত পাঠায়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং মরদেহ শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বুধবার ভোরে কড়া সেনা পাহারায় ৬২০ জন ফিলিস্তিনিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় পৌঁছে দেয়া হয়। একইদিন, রেড ক্রসের মাধ্যমে হামাস ৪ ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ৪ জন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহবাহী কফিন তারা গ্রহণ করেছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহ শনাক্তকরণের কাজ শুরু হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, হামাস যে ৪ জন ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করেছে, তাদের মধ্যে আছেন—ওহাদ ইয়াহালোমি, সাচি ইদান, ইতজিক এলগারাত এবং সোলোমো মনসুর।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গত শনিবার হামাস ৬ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয় এবং তাদের সঙ্গে ৪ জিম্মির মৃতদেহও হস্তান্তর করে। বিনিময়ে, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ৬২০ ফিলিস্তিনি কারাবন্দিকে মুক্তি দেয়ার কথা ছিল। তবে হামাসের অভিযোগ, ইসরায়েল জিম্মিদের সাথে 'অসম্মানজনক আচরণ' করেছে, যার ফলে বন্দিদের মুক্তি স্থগিত করা হয়।
হামাস এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা দাবি করেছে, আগে ফিলিস্তিনি কারাবন্দিদের মুক্তি দিতে হবে। তারপরই মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনা করবে হামাস।
এটি একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, যা যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং ইসরায়েল ও হামাসের সম্পর্কের গতিপথ সম্পর্কে নতুন আলো ফেলছে। এখন দেখার বিষয়, এই নতুন পরিস্থিতি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি আলোচনা এবং ভবিষ্যতের কার্যক্রমকে কীভাবে প্রভাবিত করবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |