প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জন্য সুখবর আসতে পারে। তাদের ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর স্কেল প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয় শাখা-২-এর যুগ্ম সচিব রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘকালীন চাকরি শেষে উচ্চতর স্কেলের বিষয়ে মতামত দেওয়ার জন্য সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অর্থ বিভাগ থেকে মতামত পাঠানো হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়—যদি পদের মূল বেতনস্কেল উন্নীত করা হয়, তাহলে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫-এর অনুচ্ছেদ-৭ অনুযায়ী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে পরবর্তী ১০ বছরে উচ্চতর গ্রেড বিবেচিত হবে।
২০২3 সালের নভেম্বরে দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩ লাখ ৫৪ হাজার শিক্ষককে নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হয়।
তখন প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠায়, যেখানে সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডের উচ্চ ধাপে নির্ধারণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল।
শিক্ষাবিদরা মনে করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মূল ভরকেন্দ্র। তবে দীর্ঘদিন ধরে তারা আর্থিক প্রণোদনা ও পদোন্নতির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
শিক্ষক নেতাদের মতে, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর স্কেল কার্যকর হলে শিক্ষকদের কর্মপ্রেরণা বাড়বে এবং বিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন ঘটবে।
অর্থনীতিবিদদের দৃষ্টিতে, প্রায় চার লাখ শিক্ষককে উচ্চতর গ্রেডে আনলে বার্ষিক বাজেটে বাড়তি চাপ তৈরি হলেও শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য এটি একটি কার্যকর বিনিয়োগ।
পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা বলছে, ২০১৫ সালের জাতীয় বেতনস্কেল কার্যকরের পর শিক্ষকদের বেতনভাতা উন্নীত করা হলেও প্রমোশনাল কাঠামো স্পষ্ট ছিল না। নতুন প্রস্তাব সেই শূন্যতা পূরণ করতে পারে।
প্রাথমিক শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল বাস্তবায়ন শুধু আর্থিক সুবিধা নয়, বরং তাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিরও প্রতিফলন। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এবার সরকারের এই উদ্যোগ সফল হলে তা শিক্ষার মান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল চিঠি (সেপ্টেম্বর ২০২৩)।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের মতামতপত্র (২০২৩)।
সংবাদ প্রতিবেদন: বাংলাদেশ প্রতিদিন, যুগান্তর, দ্য ডেইলি স্টার (২০২৩)।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |