| বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশনের দপ্তর চালু

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 19-07-2025 ইং
  • 3586729 বার পঠিত
বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশনের দপ্তর চালু
ছবির ক্যাপশন: বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশনের দপ্তর চালু

বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশনের দপ্তর চালু: তিন বছরের জন্য সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০২৫ | মানবাধিকার ও রাজনীতি ডেস্ক

বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের (OHCHR) মিশন চালু হচ্ছে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মধ্যে তিন বছরের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ঘোষণা

শনিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,

“এই মিশনের উদ্দেশ্য হলো সরকারি ও বেসরকারি খাতের মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তা প্রদান এবং জবাবদিহিতার কাঠামো মজবুত করা।”

এটি বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে একটি সংস্কারমুখী প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মিশনের কাজ কী হবে?

OHCHR মিশন বাংলাদেশে মূলত:

  • প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেবে

  • আইনি কাঠামো ও বিচারব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতা পূরণে সহায়ক হবে

  • গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় প্রতিরোধ ও প্রতিকারে জোর দেবে

এটি কোনো সামাজিক এজেন্ডা বা সংস্কৃতিবিরোধী নীতির বাহক হবে না, বরং শুধুই মানবাধিকারের সুরক্ষা ও প্রতিকার নিশ্চিত করবে।

জাতীয় ঐতিহ্য ও স্বার্থকে গুরুত্ব

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,

“আমরা জাতিসংঘকে জানিয়ে দিয়েছি, বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে এই মূল্যবোধের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।”

সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যদি এই মিশন জাতীয় স্বার্থ ও আইনবিরোধী পথে পরিচালিত হয়, তাহলে বাংলাদেশ সরকার MoU বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে।

মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক নজরদারি

এই ঘোষণায় একটি বার্তা স্পষ্ট:

যদি এই কার্যালয় পূর্ববর্তী সরকারের সময় থাকত, তবে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম এবং গণহত্যার মতো অপরাধগুলো উপযুক্ত তদন্ত ও বিচারের আওতায় আসত।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগকে "একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত সংস্কার" হিসেবে দেখছে।

সরকারের অবস্থান

সরকার বলছে,

“এই অংশীদারিত্বকে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার এবং জনগণের নিরাপত্তা বাড়ানোর একটি সুযোগ হিসেবে দেখছি—যা আমাদের আইন, মূল্যবোধ ও জনগণের জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।”

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency