| বঙ্গাব্দ

প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন মডেল মেঘনা আলম

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 29-04-2025 ইং
  • 3745124 বার পঠিত
প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন মডেল মেঘনা আলম
ছবির ক্যাপশন: প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন মডেল মেঘনা আলম

প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় জামিন পেলেন মডেল মেঘনা আলম

রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় জামিন পেয়েছেন আলোচিত মডেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মেঘনা আলম। সোমবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহর আদালত জামিন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটিতে আসামি হিসেবে মেঘনা আলমের পক্ষে শুনানি করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসিন রেজা, অ্যাডভোকেট মহিমা বাঁধন ও ব্যারিস্টার সাদমান সাকিব। তারা আদালতের কাছে জামিনের আবেদন করে বলেন, অভিযোগের পেছনে কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবীরা নারী বিবেচনায় জামিন চেয়ে বলেন, "আসামি একজন নারী এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে জেলে রাখা অপ্রয়োজনীয়।"

বিচারক শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করে বলেন, "নারী বিবেচনায় এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার শর্তে আসামিকে জামিন দেওয়া হলো।"

এর আগে ১৭ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম মিয়ার আদালত মেঘনা আলমকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে ছিলেন।

মামলার বাদীর অভিযোগ, মেঘনা আলম দীর্ঘদিন ধরে পরিচয় ও সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীরা তাকে টাকা না দিলে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হুমকি দিতেন তিনি।

তবে আসামিপক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। আইনজীবীরা বলেন, "মেঘনা আলম একজন স্বাধীনচেতা নারী, যার জনপ্রিয়তা ও সামাজিক অবস্থান ঈর্ষণীয়। এ কারণেই তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মামলা করা হয়েছে।"

এই মামলার বিষয়ে তদন্ত এখনও চলমান। জামিন পাওয়ার পর মেঘনা আলম আদালতের নির্ধারিত সময়ে হাজিরা দিতে বাধ্য থাকবেন এবং তদন্তকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে।

এদিকে, মেঘনার জামিন পাওয়ার খবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এটিকে নারীর প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ বলে মন্তব্য করেছেন, আবার অনেকে বলছেন, কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত একজন ব্যক্তিকে দোষী ভাবা অনুচিত।

মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency