ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত, তবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, এই আলোচনার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। তিনি জানান, ইরান আগামী ১২ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রথমে সামরিক হুমকি বন্ধ করতে হবে। শুধুমাত্র এরপরই পারমাণবিক চুক্তি সইয়ের বিষয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে।
আব্বাস আরাগচি বলেন, "আমরা কূটনৈতিক সমাধানে বিশ্বাসী, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যদি আমাদের বিরুদ্ধে সামরিক হুমকি দিতে থাকে, তাহলে আলোচনা অর্থহীন হয়ে পড়ে।" ইরান তার পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ দেখছে, তবে তা নির্ভর করবে তাদের শর্ত পূরণের উপর। এর মাধ্যমে ইরান পুনরায় পারমাণবিক চুক্তির প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি জোরদার করার চেষ্টা করছে।
২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ) থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র, যার ফলে সেই চুক্তি ভেঙে পড়ে। এর পরপরই, ইরান ধাপে ধাপে তার পারমাণবিক কর্মসূচি বাড়াতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য শক্তিগুলোর মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, এবং সম্প্রতি আবারও আলোচনা শুরুর আশা করা হচ্ছিল।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এখনো ইরানের শর্তের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের শর্ত মেনে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কঠিন হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি অব্যাহত রেখেছে, এবং এর ফলে কোনো সমঝোতা করা চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
ইউরোপীয় মধ্যস্থতাকারীরা আশা করছেন যে, উভয় পক্ষের শর্ত শিথিল হলে অচিরেই ভিয়েনায় আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে। তারা মনে করেন যে, আলোচনা শুরু হলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি পুনঃস্থাপন সম্ভব হতে পারে, তবে এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে উভয় পক্ষের সদিচ্ছা ও শর্তাবলী মেনে নেওয়ার ওপর।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |