পানি কমানোর কৌশল ও নেপালের উদ্যোগ
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয়ের বরফ দ্রুত গলে গিয়ে হিমবাহ হ্রদগুলোর পানির ধারণক্ষমতা উপচে পড়ার বিপজ্জনক সীমা ছুঁয়েছে।
যেকোনো মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে বা বিস্ফোরণ ঘটে নিম্নাঞ্চলের শত শত গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় নেপাল সরকার নিয়ন্ত্রিত নালা ও সুড়ঙ্গ কেটে হ্রদগুলোর পানির স্তর কয়েক মিটার নিচে নামিয়ে আনার কাজ করছে।
ঝুঁকি না কমার প্রধান কারণসমূহ
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, কেবল পানি নিষ্কাশন করে দীর্ঘমেয়াদী হিমালয় ঝুঁকি এড়ানো কঠিন:
দ্রুত বরফ গলন: বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে হ্রদগুলোতে প্রতিনিয়ত নতুন করে বিপুল পরিমাণ পানি ও গলিত বরফ এসে জমা হচ্ছে।
ভূমিকম্পের ঝুঁকি: হিমালয় অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় যেকোনো তীব্র কম্পনে পর্বত ধস বা কৃত্রিম বাঁধ ভেঙে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।
প্রাকৃতিক ধস: অতিবৃষ্টির ফলে হিমবাহের চারপাশের বরফ বা মাটির ধস হ্রদে পড়ে আকস্মিক উচ্চ তরঙ্গের সৃষ্টি করতে পারে।
এক নজরে নেপালের হিমবাহ হ্রদ সংকট
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |