অভিযানের তথ্য ও আইনি পদক্ষেপ
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশজুড়ে পরিচালিত যৌথ নিরাপত্তা অভিযানে আরও হাজার হাজার বহিরাগত আইনি জটিলতায় পড়েছেন।
নথিপত্র না থাকা, আকামা (রেসিডেন্স পারমিট) মেয়ারোত্তীর্ণ হওয়া এবং অনুমতি ছাড়া সীমান্ত পার হয়ে প্রবেশের অপরাধেই মূলতঃ তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আইন লঙ্ঘনের ধরন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা
সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে একাধিক অপরাধমূলক ক্যাটাগরিতে জড়িতদের আটক ও প্রক্রিয়াজাত করেছে:
আবাসন আইন লঙ্ঘন (Residency Law): বৈধ কাগজপত্র ও আকামা না থাকা বা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর অবস্থান করা।
সীমান্ত নিরাপত্তা লঙ্ঘন (Border Security): অবৈধ উপায়ে সৌদির আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে প্রবেশের চেষ্টা।
শ্রম আইন লঙ্ঘন (Labor Law): নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তা ছাড়া কাজ করা বা কাজের অনুমতিপত্র জালিয়াতি করা।
এক নজরে সৌদি আরবের বহিষ্কার অভিযান
| বিষয় | বিবরণ |
| মোট বহিষ্কৃত প্রবাশী | ১২,১৮৭ জন (এক সপ্তাহে) |
| অভিযান পরিচালনাকারী | সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী |
| প্রধান কারণ | আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত পারাপার আইন লঙ্ঘন |
| বর্তমান অবস্থা | আইনি প্রক্রিয়া ও বহিষ্কার কার্যক্রম অব্যাহত |
কঠোর হুঁশিয়ারি জারি
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় দেওয়া, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা বা তাদের যাতায়াতে সহায়তা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের ১৫ বছর পর্যন্ত জেল এবং ১০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রেখেছে দেশটির আইনি ব্যবস্থা।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |