কী ঘটেছিল ইয়েমেনের রণক্ষেত্রে
ইয়েমেনি সেনাসূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মারিব প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় হুথি বিদ্রোহীরা একটি সুসংগঠিত হামলা চালায়। সরকারি বাহিনী দ্রুত পাল্টা আক্রমণ চালালে দুই পক্ষের মধ্যে ভারী অস্ত্রশস্ত্রসহ গোলাগুলি শুরু হয়।
পার্শ্ববর্তী একাধিক জেলাতেও এই সংঘর্ষের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিসংখ্যান
স্থান: ইয়েমেনের মারিব ও নিকটবর্তী সীমান্ত এলাকা
হতাহতের সংখ্যা: উভয় পক্ষের অন্তত ৬০ জন নিহত এবং শতাধিক আহত
মূল কারণ: মারিব প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা এবং সামরিক অবস্থান জোরদার করা
সংঘর্ষে ব্যবহৃত অস্ত্র: ভারী গোলন্দাজ বাহিনী, রকেট চালিত গ্রেনেড ও ড্রোন হামলা
সংঘর্ষের মূল কারণ ও রণকৌশল
মারিব অঞ্চলটি প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইয়েমেন সরকারের উত্তরাঞ্চলীয় শেষ শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি এবং দেশের প্রধান তেল-গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলোর একটি।
হুথি বিদ্রোহীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এলাকাটি দখল করতে পারলে পুরো ইয়েমেনের সার্বিক রাজনৈতিক ও সামরিক ভারসাম্য বিদ্রোহীদের অনুকূলে চলে যাবে। ফলে যেকোনো মূল্যেই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার এই অঞ্চলের সুরক্ষা বজায় রাখতে চায়।
মানবিক সংকট ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা
সামরিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের নতুন সশস্ত্র সংঘাত ইয়েমেনের এমনিতে বিপর্যস্ত মানবিক পরিস্থিতিকে আরও মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।
ইতোমধ্যেই সংঘর্ষের কারণে আশেপাশের কয়েকটি শরণার্থী শিবিরের সাধারণ বেসামরিক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এলাকা ত্যাগ করতে শুরু করেছে। যুদ্ধবিরতির আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা অকার্যকর হয়ে পড়ায় সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |