উদ্যোগের পটভূমি ও মূল লক্ষ্য
ভারতের জাতীয় শিক্ষানীতির (NEP) অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ও আঞ্চলিক ভাষায় প্রযুক্তিগত শিক্ষা চালুর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
অনেকেরই দক্ষতা থাকলেও ইংরেজি ভাষার ভীতি ও জটিলতার কারণে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষায় আশানুরূপ পারফর্ম করতে পারছিলেন না। হিন্দি ভাষায় পঠনপাঠন সহজ করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সেই বাধা দূর করাই সরকারি এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
আর্থিক সহায়তা ও সুবিধার শর্তাবলী
এই প্রকল্পের আওতায় কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রবেশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ধাপে ধাপে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে সাহায্য দেওয়া হবে:
আর্থিক অনুদান: ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়া হিন্দি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের পুরো শিক্ষাবর্ষ জুড়ে সর্বোচ্চ ২ লাখ রুপি পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়া হবে।
বিনামূল্যে পাঠ্যবই ও কনটেন্ট: সরকারি সহায়তা হিসেবে হিন্দি ভাষায় অনূদিত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মূল বই, অনলাইন লেকচার ও স্টাডি মেটেরিয়াল নিখরচায় সরবরাহ করা হবে।
অনুমোদিত কোর্স: অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (AICTE) স্বীকৃত নির্দিষ্ট কিছু প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ও রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
এক নজরে হিন্দি ভাষায় ইঞ্জিনিয়ারিং বৃত্তি
| বিষয় | বিবরণ |
| উদ্যোগ গ্রহণকারী | অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (AICTE) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় |
| আর্থিক সহায়তার পরিমাণ | ২ লাখ রুপি পর্যন্ত বৃত্তি |
| মূল উদ্দেশ্য | মাতৃভাষায় কারিগরি শিক্ষার বিস্তার ও শিক্ষার্থীদের ভাষাগত ভীতি দূর করা |
| শিক্ষার মাধ্যম | হিন্দি ভাষা |
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়া
শিক্ষা খাতের একাংশ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এর ফলে গ্রামীণ ও হিন্দিভাষী অঞ্চলের বহু মেধাবী শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পাবেন। তবে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চাকরির বাজার ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার ওপরও মৌলিক দক্ষতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |