| বঙ্গাব্দ

দুদকের মামলায় ওমর ফারুক চৌধুরী ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ ও লেনদেনের অভিযোগ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 12-03-2025 ইং
  • 3866013 বার পঠিত
দুদকের মামলায় ওমর ফারুক চৌধুরী ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ ও লেনদেনের অভিযোগ
ছবির ক্যাপশন: ওমর ফারুক চৌধুরী ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ

দুদকের মামলায় সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ এবং সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগ

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী মো. ওমর ফারুক চৌধুরী এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে। বুধবার (১২ মার্চ) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের কাছে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রথম মামলায়, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী মো. ওমর ফারুক চৌধুরী বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি ১৩ কোটি ৬১ লাখ ১২ হাজার ৫৩৩ টাকা অবৈধভাবে আয় করেছেন। এই সম্পদটি তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত এবং তিনি এই অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া, তার নামে ৫৭টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৪৪৫ কোটি ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩৯ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। এই লেনদেনের পরিমাণ অত্যন্ত বড় এবং অস্বাভাবিক হওয়ায়, দুদক এই লেনদেনের উৎস এবং বৈধতা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

অপর মামলার এজাহারে, মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর স্ত্রী নিগার সুলতানা চৌধুরী বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি ২ কোটি ২৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬৮৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। আরও অভিযোগ রয়েছে যে, নিগার সুলতানা চৌধুরী সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে এই অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর এবং হস্তান্তর করেছেন, যার মাধ্যমে আয়ের প্রকৃত উৎস আড়াল করা হয়েছে। এ কারণে মামলায় স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই আসামি করা হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, তারা এই মামলাগুলির তদন্ত করতে শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দুদক কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা কঠোরভাবে তদন্ত করবেন এবং কোন ধরনের অনৈতিক বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে, শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

এই মামলার মাধ্যমে, একদিকে যেখানে দুর্নীতি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেখানে অন্যদিকে এটি রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী মো. ওমর ফারুক চৌধুরী একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন, এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে, এই মামলার ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে মো. ওমর ফারুক চৌধুরী বা তার স্ত্রী নিগার সুলতানা চৌধুরী এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তাদের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুদক ইতোমধ্যে এই দুটি মামলার তদন্ত শুরু করেছে এবং তারা নিশ্চিত করতে চায় যে, জনগণের টাকাপয়সার অপব্যবহার এবং অবৈধ লেনদেনের বিষয়টি পুরোপুরি উন্মোচিত হবে। তাদের নজর থাকবে সকল সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন এবং সম্পদের উৎসের প্রতি।

এটি বাংলাদেশের আইনপ্রণেতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা যে, দুর্নীতি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুদক আশা করছে যে, এই তদন্ত ও মামলা সমগ্র দেশের দুর্নীতি বিরোধী প্রচারণাকে আরো শক্তিশালী করবে।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency