বন্দরনগরীতে তারেক রহমান: বিমানবন্দরে জনসমুদ্র, চট্টগ্রামে এখন সাজ সাজ রব
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
চট্টগ্রাম: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বীর চট্টলায় পা রাখলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৪ জানুয়ারি, ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে তিনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। প্রায় দুই দশক পর বন্দরনগরীতে তাঁর এই প্রথম রাজনৈতিক সফরকে কেন্দ্র করে পুরো চট্টগ্রামে এখন উৎসবের আমেজ ও রাজনৈতিক উত্তাপ বিরাজ করছে।
তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে বের হওয়ার পথ পর্যন্ত ভিড় জমিয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতারা। বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে বিমানবন্দরের বাইরে অবস্থান নিয়েছিলেন হাজার হাজার নেতাকর্মী, যাদের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পতেঙ্গা এলাকা।
আগামীকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) নগরীর ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির এই মেগা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সমাবেশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। নগরীর প্রতিটি মোড়, অলিগলি এবং প্রধান সড়কগুলো তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন আর দৃষ্টিনন্দন তোরণে ছেয়ে গেছে। নেতাকর্মীদের দাবি, এই সমাবেশ হবে চট্টগ্রামের ইতিহাসের বৃহত্তম জনসমাবেশ, যা ২০২৬ সালের নির্বাচনের গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে।
ঐতিহাসিকভাবেই চট্টগ্রাম বাংলাদেশের রাজনীতির ‘পাওয়ার হাউস’ হিসেবে পরিচিত। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ থেকে শুরু করে ১৯৩০-এর মাস্টারদা সূর্য সেনের অস্ত্রাগার লুণ্ঠন এবং ১৯৭১-এর কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা—সবক্ষেত্রেই চট্টগ্রাম ছিল অগ্রগামী। ১৯০০ সালের সেই সংগ্রামী চেতনা থেকে আজ ২০২৬ সালের এই ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ লড়াইয়েও চট্টগ্রামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম বড় কোনো বিভাগীয় সফর, যা ১৯০০ সালের সেই দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে জাগ্রত করেছে।
বিমানবন্দর থেকে নগরীর যে হোটেলে তারেক রহমান অবস্থান করবেন, সেই পুরো পথেই রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে অভিবাদন জানান সাধারণ মানুষ। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “তারেক রহমানের এই আগমন কেবল চট্টগ্রামের জন্য নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি নতুন আশার বার্তা। কালকের জনসমুদ্রই প্রমাণ করবে দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়।”
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), দৈনিক ইত্তেফাক এবং বিএনপি মিডিয়া সেল।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |