প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, “হাসিনা–ভারতের এজেন্ডায়” দেশে যে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করে গুম, খুন ও ‘আয়নাঘর’সহ গোপন নির্যাতন চালানো হয়েছে—এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) বিচার নিশ্চিত করতে হবে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই দাবি জানান। তিনি আরও লেখেন, সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ টেকসই রাখতে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও বিচারে বাহিনীকে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত—এমন আহ্বানও জানান তিনি।
গত সপ্তাহে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ দুটি মামলায় মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে (এর মধ্যে ২৩ জন বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা) গুম–গোপন আটক–নির্যাতনের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক চার্জ গ্রহণ করে। পরদিন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৩০ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর নিশ্চিত করে। এই পদক্ষেপকে “ন্যায়বিচারের পথে অগ্রগতি” হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকায় কথিত তিনটি ‘আয়নাঘর’ গোপন আটক–স্থাপনা পরিদর্শন করেন—যেগুলোকে আগের সরকারের সময় নির্যাতনকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। সাম্প্রতিক অভিযোগপত্রে এই নেটওয়ার্ক–ভিত্তিক গুম–নির্যাতন–টর্চারের বর্ণনা উঠে এসেছে বলেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও অধিকার–সংস্থার প্রতিবেদন উল্লেখ করেছে।
গত আগস্ট–সেপ্টেম্বরে রাজধানীতে নুরের ওপর হামলার ঘটনায় দেশ–বিদেশে নিন্দা ও তদন্ত–দাবি ওঠে। ছাত্র–নেতৃত্বধারার রাজনীতির প্রেক্ষিতে তিনি বরাবরই গুম–নির্যাতনের দায় নিরূপণ ও শাস্তির পক্ষে সোচ্চার। আইসিটিতে সাম্প্রতিক চার্জ–গৃহীত হওয়া এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি—এই দুই প্রক্রিয়া সামনে থাকায় তিনি সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে “বিচার–সহযোগিতার” আহ্বান জানিয়েছেন বলে ব্যাখ্যা আসে দলীয় সূত্রে।
প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত চার্জ–শিটে ২০০৯–২০২৪ সময়কালে অভিযোগিত গুম, গোপন আটক ও নির্যাতনের ঘটনাগুলো কাভার করা হয়েছে বলে আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। গ্রেপ্তারপরোয়ানা কার্যকর, আসামিদের হাজিরা, চার্জ–গঠন এবং সাক্ষ্যগ্রহণ—এই পর্যায়গুলোই এখন সামনে। আইনজ্ঞদের মতে, এটি জটিল ও নজিরবিহীন একটি মামলা–গুচ্ছ; তাই বিচার–প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ভিকটিম–সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে মূল চ্যালেঞ্জ।
The Daily Star — “25 former, serving military officers charged at ICT” (২৩ সেনা কর্মকর্তাসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জ)।
BSS — “ICT sends arrest warrants against 30, including Hasina, to heads of different forces.”
Human Rights Watch — “In Bangladesh, a Step toward Justice” (অভিযুক্ত ২৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জ দাখিলকে স্বাগত)।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |