রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি দূতাবাস থেকে সরানো: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি”
🖋 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সম্প্রতি দেশের দূতাবাস ও কনস্যুলেট অফিস থেকে তার ছবি সরানোর নির্দেশনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে চিঠি পাঠিয়েছেন, এ বিষয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান তার ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, “রাষ্ট্রপতির আসনে আসীন এবং দায়িত্ব পালনরত দেশের রাষ্ট্রপতি যেন অপদস্ত না হয়, সেজন্য কি কৌশলী পদক্ষেপ নেওয়া যেত না?” তিনি আরও বলেন, "আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছি এবং সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছি।"
চিঠিতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, তার ছবি অপসারণের মাধ্যমে এক রাতের মধ্যে শুধু গণমাধ্যমে নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তার সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, “স্বাধীনতার পর হতে যা হয়নি, তা আমি করেছি। প্রায় অর্ধশতাধিক অর্ডিন্যান্স জারি করে সরকারকে আইনগত পূর্ণ সহযোগিতা করছি। সরকার আইনগতভাবে সবল অবস্থানে আছে।” তিনি আরও বলেন, "জিরো পোর্ট্রেট নীতি সরকার অনুসরণ করছে, এতে রাষ্ট্রপতির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে, কিন্তু কেন আমার ছবি অপসারণের এই দৃষ্টিকটু উদ্যোগ নেওয়া হলো?"
রাষ্ট্রপতি তার চিঠির শেষে জানান, "আমি তো আবদার করি নাই যে আমার ছবিকে দায়মুক্তি দেওয়া হোক, তবে কৌশলগতভাবে এই নীতি বাস্তবায়ন করলে গণমাধ্যমের খোরাক হওয়া এড়ানো যেতো। মানসিকভাবে আমি পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করেছিলাম, কিন্তু এই সিদ্ধান্ত আমাকে অপমানিত করেছে।"
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, "মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা একজন সচেতন নাগরিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এই অপমানিত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।" তিনি তার ছবির অপসারণ নিয়ে কোনো অভিযোগ নয়, বরং একটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন ও রাষ্ট্রপতির ভূমিকা
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |