| বঙ্গাব্দ

বেনজীর পরিবারের অর্থপাচার মামলায় এনায়েত করিমের চার দিনের রিমান্ড

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 28-09-2025 ইং
  • 3176033 বার পঠিত
বেনজীর পরিবারের অর্থপাচার মামলায় এনায়েত করিমের চার দিনের রিমান্ড
ছবির ক্যাপশন: এনায়েত করিম

বেনজীর পরিবারের অর্থপাচার মামলায় মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিমের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ


মূল প্রতিবেদন

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের পরিবারের অর্থপাচার মামলায় গ্রেফতারকৃত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতে নাটকীয় পরিস্থিতি

রিমান্ডের আদেশ ঘোষণার পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা এনায়েত করিম অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পাশের বেঞ্চে ঢলে পড়েন। পরে পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

রিমান্ড আবেদন ও আদেশ

  • মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

  • শুনানি শেষে বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার পটভূমি

  • চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ থেকে মামলা দায়ের করা হয়।

  • আসামি করা হয় বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী জীশান মির্জা, বড় মেয়ে ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীর এবং মেঝো মেয়ে তাহসীন রাইসা বিনতে বেনজীরকে

  • অভিযোগে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার অপরাধলব্ধ ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদে উত্তোলন করে বিদেশে পাচার করেন।

  • অর্থ উত্তোলনের পর এ টাকার কোনো বৈধ বিনিয়োগ বা উৎস দেখানো হয়নি।

  • দুদকের অনুসন্ধানে এনায়েত করিম চৌধুরীর সন্দেহজনক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, যার ভিত্তিতে তাকে মামলায় আসামি করা হয়।

পূর্ববর্তী অভিযোগ

  • ২০২৪ সালে বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের নামে থাকা দীর্ঘমেয়াদি এফডিআর একযোগে উত্তোলন করা হয়।

  • এসব অর্থের বৈধ কোনো উৎস পাওয়া যায়নি।

  • দুদকের মতে, এসব অর্থ তিনি র‌্যাব মহাপরিচালক ও আইজিপি থাকাকালে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করেছেন।

  • এর আগে, গত ডিসেম্বরে দুদক বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চারটি মামলা দায়ের করেছিল।

আইনি ধারা

এ মামলায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারাতে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি ভোগ করতে হবে।

 সূত্র

  1. বাংলাদেশ প্রতিদিন

  2. দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা সংক্রান্ত প্রতিবেদন

  3. ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের শুনানি নথি

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency