সংবাদে চাঁদাবাজির অভিযোগে তদন্তের নির্দেশ: যুবলীগ নেতা জাকিরসহ পল্লবীর চাঁদাবাজদের তালিকা চাইলেন আদালত
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
তারিখ: ৩ আগস্ট ২০২৫
সূত্র: ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সারাহ ফারজানা হক
‘বিএনপি নেতা বনে গিয়ে পল্লবীতে চাঁদাবাজি শুরু করেছেন যুবলীগ নেতা জাকির’—শিরোনামে সম্প্রতি প্রচারিত একটি সংবাদ প্রতিবেদনের পর ঢাকার একটি আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন।
আদালত পল্লবী থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন, পল্লবী এলাকায় যারা চাঁদাবাজির মাধ্যমে জনজীবন ব্যাহত করছেন, তাদের নাম-ঠিকানা সহ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে জমা দিতে হবে।
গত ২৫ জুলাই প্রচারিত সংবাদে অভিযোগ ওঠে—পল্লবী থানাধীন টেকেরবাড়ী ও সাগুফতা এলাকায় যুবলীগ নেতা জাকির বিএনপি নেতার ছদ্মবেশে চাঁদাবাজি করছেন।
সেই প্রতিবেদনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ তুলে ধরা হয় যে, তারা সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ চক্রের কারণে স্বাভাবিক ব্যবসা পরিচালনায় হুমকির মুখে পড়ছেন। অনেকে প্রাণভয়ে থানায় অভিযোগও করতে পারছেন না।
আদালত বলেছে, এ অবস্থা একদিকে মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল, অন্যদিকে এটি একটি আমলযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ।
আদেশে বলা হয়—
“এই আদালতের কাছে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, ভিকটিমরা চাঁদাবাজির শিকার হলেও ভয়ভীতির কারণে থানায় অভিযোগ করতে সাহস পাচ্ছেন না। এর ফলে তারা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।”
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(সি) ধারায় আদালত নিজ উদ্যোগে মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট ওসিকে তদন্ত করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
সংবাদে মূল অভিযোগ যুবলীগ নেতা জাকির হোসেনকে ঘিরে।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএনপি নেতার পরিচয় দিয়ে তিনি পল্লবীতে প্রভাব বিস্তার করছেন এবং এলাকার ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছেন।
সংবাদটি প্রচারিত হওয়ার পর তা আদালতের নজরে আসে এবং বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, শুধু জাকির নয়—যারা
চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত
জনজীবনে বাধা সৃষ্টি করছেন
ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করছেন
তাদের সম্পূর্ণ নাম-ঠিকানা ও কার্যক্রমের বিবরণ আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে পল্লবী থানার ওসিকে দাখিল করতে হবে।
আইন বিশ্লেষকরা বলছেন, সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালতের এই ধরনের পদক্ষেপ নজিরবিহীন নয়, তবে এটি প্রশংসনীয় ও প্রয়োজনীয়।
বিশেষ করে যখন ভিকটিমরা সরাসরি অভিযোগ করতে ভয় পান, তখন আদালতের এমন স্বতঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা জনগণের আস্থার প্রতীক।
আদালতের নির্দেশে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে
ভিকটিমদের সুরক্ষা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা প্রয়োজন
দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |