প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৫
সূত্র: Middle East Monitor, Bloomberg via Caliber.Az, Times of Israel, The Guardian
ইরান парламентарি মোজতবা জারেই এক্সে (X) পোস্ট করে দাবি করেছেন যে, ইরানের গোয়েন্দারা নেতানিয়াহুর বাসভবনে একটি নজরদারি ক্যামেরা বসিয়েছে। তিনি এই তথ্যকে “বিশ্বস্ত ও নিশ্চিত” বলছেন এবং এটিকে “নজিরবিহীন নিরাপত্তা ভঙ্গ” দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্যে:
“আমরা নেতানিয়াহুর এত কাছে কখনো ছিলাম না… জায়নিস্ট গ্যাং-এর আবাসস্থলে কোনো গোপন স্থান নেই।”
এখনো কোনো ইসরায়েলি সরকারি সূত্র থেকে নিশ্চয়তা বা অস্বীকার পাওয়া যায়নি। তবে এটি দুই দেশের মধ্যে চলমান সাইবার প্রোপাগান্ডা ও মনস্তাত্ত্বিক জঙ্গলেরই অংশ বলে দেখা হচ্ছে।
ভবিষ্যত নজরদারির হুমকি হিসেবেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় ব্লুমবার্গ অবলম্বনে Caliber.az রিপোর্ট জানিয়েছে—ইরান ইসরায়েলের ঘরের নিরাপত্তা ক্যামেরা ‘হাইজ্যাক’ করে বস্তুগত অবস্থান ও ক্ষতি নিরূপণে ব্যবহার করছে
রেফায়েল ফ্রাঙ্কো, ইসরায়েলের সাবেক সাইবারসিকিউরিটি কর্মকর্তা, সতর্ক করেছেন: “গত দুই-তিন দিনের মধ্যে ইরানীরা ক্যামেরায় যুক্ত হতে চেয়েছে, জানতে চেয়েছে কোথায় ক্ষতি হয়েছে, যার মাধ্যমে মোটা হারে আঘাত নিরুপণ ও সুচারু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়”
গত কয়েক বছর ধরে ফিলিস্তিনে হামাস, ইউক্রেনে রাশিয়া—অন্যন্য ক্ষেত্রেও ক্যামেরা হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে, যা আধুনিক যুদ্ধের অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে
টেকনিক্যালভিত্তিক গ্রাউন্ড না থাকলেও, জারেইয়ের বক্তব্য ব্যাপক রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলেছে। এটি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাইবার ও গোপনচর যুদ্ধের নতুন অধ্যায় বলেই ধরা হচ্ছে।
এ ধরনের দাবি প্রোপাগান্ডা তৈরি ও বাহ্যিক মনস্তাত্ত্বিক চাপ গড়ে তোলার উদ্দেশ্য বহন করে। কারণ কোনো সরাসরি প্রমাণ ছাড়া এমন কূটনৈতিক উন্মাদনা তৈরি করতে কয়েকটি বর্ণনা যথেষ্ট।
এই দাবি প্রকাশের পর ইসরায়েলি সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
তবে দেশের National Cyber Directorate ইতোমধ্যেই বাস্তব সতর্কতা জারি করেছে—যার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ক্যামেরা বন্ধ বা পাসওয়ার্ড পরিবর্তনে পরামর্শ
লেবাননের ধরনের হেজবোল্লাহ ড্রোন হামলা (২০২৪ সালে নেতানিয়াহুর বাড়িতে আঘাত) পরবর্তীতে ইরানকে জড়িত হিসাবে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়
২০২৩–২৫ সময়কালে ইরান-ইসরায়েল বিরোধ বদলে হস্তক্ষেপমূলক যুদ্ধ থেকে সাইবার ও মনস্তাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জে রূপান্তরিত হয়েছে, যেখানে নেটানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে দলীয় যোগাযোগ ও সাইবার হুমকির মুখে বেশি আলোচিত হন
এই দাবি কী বিশুদ্ধ সতর্কতা বা সচেতনতামূলক প্রভাবে গড়ে তোলা হয়েছে?
এমন তথ্য-সম্পর্কিত দাবিতে আন্তর্জাতিক প্রভাবের অর্থ কী?
ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রোপাগান্ডা ও সাইবার আক্রমণ কীভাবে আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তাকে নতুন করে চ্যালেঞ্জ করবে?
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |