| বঙ্গাব্দ

হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণের ঘোষণা লেবানন প্রেসিডেন্টের: চাইলেন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি।

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 09-03-2026 ইং
  • 1801144 বার পঠিত
হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণের ঘোষণা লেবানন প্রেসিডেন্টের: চাইলেন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি।
ছবির ক্যাপশন: হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণের ঘোষণা লেবানন প্রেসিডেন্টের: চাইলেন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি।

হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ ও ইসরায়েলের সাথে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব লেবানন প্রেসিডেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝে লেবাননকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এক বৈপ্লবিক প্রস্তাব দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। সোমবার (৯ মার্চ ২০২৬) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট আউন ইসরায়েলের সাথে 'সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি' এবং হিজবুল্লাহর সকল অস্ত্র রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট আউন সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ড লেবাননকে ‘দ্বিতীয় গাজায়’ পরিণত করার ঝুঁকি তৈরি করছে।

প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে জোসেফ আউন তাঁর নতুন পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। এর প্রধান দিকগুলো হলো:

  • ত্রিমাত্রিক যুদ্ধবিরতি: আকাশ, স্থল ও সমুদ্রপথে ইসরায়েলের সব ধরনের হামলা বন্ধ করে একটি স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা।

  • হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ: যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (LAF) সংঘাতপূর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেবে। হিজবুল্লাহর সকল অস্ত্র জব্দ করা হবে এবং তাদের অস্ত্রের গুদাম ও গোপন আস্তানাগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হবে।

  • সরাসরি আলোচনা: আন্তর্জাতিক মহলের তত্ত্বাবধানে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা শুরু করা।

“লেবানন কোনো প্রক্সি যুদ্ধের ক্ষেত্র নয়”

হিজবুল্লাহর সমালোচনা করে প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, “কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে গিয়ে রকেট ছুড়ে লেবাননকে একটি ফাঁদে ফেলেছে। তারা নিজেদের স্বার্থে আমাদের গ্রামগুলো ধ্বংস করছে এবং লাখ লাখ মানুষকে উদ্বাস্তু করছে। আমরা লেবাননকে আর কোনো বিদেশি শক্তির প্রক্সি যুদ্ধের ময়দান হতে দেব না।”

তিনি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে লজিস্টিক ও সামরিক সহায়তা চেয়েছেন।

প্রেক্ষাপট: ২০২৬-এর ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে পাল্টা হামলা শুরু করে। এর ফলে ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের ভেতরে ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে। গত এক সপ্তাহে লেবাননে ৪০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৬ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এই চরম মানবিক সংকটের মুখেই প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই কঠোর অবস্থান নিলেন।


গুগল অ্যানালাইসিস ও তথ্যের উৎস (Sources):

১. আলজাজিরা (৯ মার্চ ২০২৬): "Lebanese President Joseph Aoun calls for full ceasefire and disarming Hezbollah." ২. রয়টার্স: "লেবানন প্রেসিডেন্টের সাহসী পদক্ষেপ: সরাসরি ইসরায়েলের সাথে আলোচনার প্রস্তাব।" ৩. এএফপি: "হিজবুল্লাহর রকেট হামলাকে ‘ফাঁদ’ হিসেবে অভিহিত করলেন জোসেফ আউন।" ৪. বিডিএস বুলবুল আহমেদ ডিফেন্স ডাটাবেস: ২০২৬ সালের লেবানন-ইসরায়েল ফ্রন্ট ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency