ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তীব্র ভূমিকম্প: ৫ জনের মৃত্যু, বহু আহত
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭, এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী। এই ভূমিকম্পে সারা দেশে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ঢাকায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকেই।
বাংলাদেশের ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবায়েত কবির ভূমিকম্প সম্পর্কে নতুন তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত ৩০ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প ছিল। তিনি আরও বলেন, “এই ভূমিকম্পের শক্তি রিলিজ একইমাত্রার শক্তির সাথে তুলনীয় যা হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে ফেলা বোমার শক্তি রিলিজের সমান।”
ভূমিকম্পের পর চারদিকে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় এবং বিভিন্ন এলাকায়। মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে আসে, আতঙ্কে আকাশে উড়তে থাকে। বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ভেঙে পড়েছে এবং বেশ কিছু ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে।
এই ভূমিকম্প শুধু বাংলাদেশেই নয়, প্রতিবেশী দেশ ভারতেও অনুভূত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা সহ বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের এই শক্তি দুই দেশকেই বিপদের মধ্যে ফেলেছে, এবং এর পর থেকে সাধারণ জনগণ ও কর্তৃপক্ষ নানা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ভূমিকম্পের পর বিভিন্ন স্থানে জরুরি সেবা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রশাসন বিধ্বস্ত এলাকায় উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে ভূমিকম্পের আরও ঝুঁকি মোকাবেলায় নতুন উদ্যোগ নিতে হবে।
এই ভূমিকম্প বাংলাদেশের ভূমিকম্প সুনামিতে কতটা ঝুঁকি রয়েছে তা আবারও স্পষ্ট করে দিলো। ভূমিকম্পের শক্তি এবং এর প্রভাব শুধু শহরাঞ্চলেই নয়, গ্রামীণ এলাকাতেও ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে। বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশে ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবেলা এবং ভবিষ্যতে সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২১ নভেম্বরের ভূমিকম্প বাংলাদেশের জন্য একটি সতর্কতাস্বরূপ। তা স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিয়েছে, দেশের ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য আরও প্রস্তুতি এবং সতর্কতা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে বড় বিপর্যয় না সৃষ্টি করে, সেই জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |