প্রতিবেদন: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
তারিখ ও স্থান: ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ঢাকা
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মো. রাশেদ খান বলেছেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ গোটা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার পন্থা বেছে নিয়েছে”—এমন অভিযোগ তিনি নিজের ফেসবুক পেজে করেন। রোববার (১৯ অক্টোবর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে পোস্ট করা ওই বক্তব্যে রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচন ব্যাহত করতে সফল হয় তবে দেশে পুনরায় ‘এক-এগারো’ জাতীয় পরিস্থিতি নেমে আসতে পারে বলে তিনি আশংকা প্রকাশ করেন।
রাশেদ খান আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগের পরিকল্পনায় আছে বিভিন্ন স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ, গুপ্তহত্যা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া বানচাল করার চেষ্টা। তিনি বলেন, “ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন বানচাল করতে পারলে দেশে আরেকটি ১/১১ নেমে আসবে — বাংলাদেশে আরেকটি ১/১১ ছাড়া আর কোনোভাবে আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ নেই।” এছাড়া তিনি বলে দেন, যারা ভোটের রাজনীতি সামনে রেখে আওয়ামী লীগকে মাফ করে দিচ্ছেন তারা ভবিষ্যতে ‘হাসিনার পা ধরলেও মাফ পাবে না’—এই সতর্কবার্তাও দেন।
রাশেদ খানের পোস্টে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ থাকুন; নিজেদের বিভাজনের সুযোগে ভারতীয় আধিপত্যবাদী শক্তি ও আওয়ামী লীগকে ফিরতে দেওয়া উচিত নয়।’ এই অংশটিও তার ফেসবুক পোস্টে দেখা গেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমও রাশেদ খানের মন্তব্য প্রতিধ্বনিত করেছে; ইত্তেফাক, জনকণ্ঠ ও কালের কণ্ঠসহ অনলাইন সংবাদপোর্টালগুলো একই সঙ্গে তার বক্তব্যটি সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনগুলোতে তার ফেসবুক পোস্টের উদ্ধৃতি এবং সংশ্লিষ্ট বিবৃতি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রাসঙ্গিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: ২০২৪–২৫ সালের ধারাবাহিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আন্দোলন-পরবর্তী পরিস্থিতি ও নির্বাচন সংক্রান্ত বিতর্কগুলি চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সময়ের রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে নানা পক্ষের মধ্যে আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও এই সংকট-পরিকাঠামো নিয়ে রিপোর্টিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিবরণ হিসেবে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার সারসংক্ষেপও রয়েছে যা দেশটির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পুনর্গঠনের ঘটনাপ্রবাহকে দেখায়।
উল্লেখ্য, রাশেদ খান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত ইস্যুতে সরব হয়েছেন; ২০২৫ সালের মার্চে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষেও তিনি পদক্ষেপ ও বিবৃতি দিয়ে থাকেন—তা নিয়েও সংবাদসাহিত্য পাওয়া যায়। প্রসঙ্গত, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রোফাইল থেকে জেলা-স্তরের গণসমাবেশ ও সংগঠনগত কাজের তথ্য পাওয়া যায়।
নাগরিক নিরাপত্তা, নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও সহিংসতার আশঙ্কা—এই তিনটি বিষয়ই বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সমালোচনা ও জনজাগরণ বাড়ানোর কারণ হিসেবে কাজ করছে। রাশেদ খানসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও বামপন্থী নেতৃত্বের অভিযোগ ও নজরদারির আবেদনগুলো নির্বাচন-সম্পর্কিত আলোচনাগুলোর অংশ হয়ে উঠেছে। একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর পর্যবেক্ষণ এবং অপরদিকে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য—এসব বিষয় ভবিষ্যৎ নির্বাচনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
রাশেদ খান — ফেসবুক পোস্ট (রোববার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫)।
“আওয়ামী লীগ ফিরলে হাসিনার পা ধরেও মাফ পাবেন না: রাশেদ খাঁন” — ইত্তেফাক অনলাইন, ১৯ অক্টোবর ২০২৫।
সম্পর্কিত প্রতিবেদনের সারমর্ম ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট — Reuters (১৭–১৯ অক্টোবর ২০২৫)।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |