প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এবার অনুমোদিত পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন। তবে হাতে সময় খুবই সীমিত—আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এরই মধ্যে প্রথম ১২ দিনে (১৬–২৭ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গেছে ৯৯ টন ইলিশ এবং আখাউড়া বন্দর দিয়ে গেছে আরও ৩৭ টন।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো চালান রপ্তানি করা কঠিন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ইলিশের দাম বেড়েছে, ফলে রপ্তানির গতি তুলনামূলক ধীর। প্রতি কেজি ইলিশের রপ্তানি মূল্য ধরা হয়েছে ১২.৫ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১,৫২৫ টাকা।
২০২৩ সালে ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলেও বাস্তবে রপ্তানি হয় মাত্র ৬৩৬ টন। মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেশি এবং উৎপাদন তুলনামূলক কম হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়।
২০১৯ সাল থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিবছর সীমিত পরিমাণে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিচ্ছে সরকার। যদিও দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা বেশি ও যোগান তুলনামূলক কম, তবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে বিশেষ বিবেচনায় এই অনুমতি দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইলিশ রপ্তানি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা দিলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে এর প্রভাব পড়তে পারে। স্থানীয় বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে না থাকলে সাধারণ ভোক্তাদের অসন্তুষ্টি বাড়তে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ (হিলসা স্যাংচুয়ারি, মা–ইলিশ রক্ষা কর্মসূচি) সফল হলে দেশীয় চাহিদা ও রপ্তানি—দুটিই ভারসাম্যে রাখা সম্ভব হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ (প্রেস বিজ্ঞপ্তি, সেপ্টেম্বর ২০২৫)
বেনাপোল ও আখাউড়া স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্য (২০২৪–২০২৫)
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |