নিউইয়র্কে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নিন্দা
রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
আপডেট টাইম :
23-09-2025 ইং
4180173
বার পঠিত
ছবির ক্যাপশন: এনসিপি
ChatGPT said:
নিউইয়র্কে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নিন্দা
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ঘটনা
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারার ওপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এ ঘটনার নিন্দা জানান। সহকারী সদস্য সচিব আব্দুস সালাম গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিবৃতির অভিযোগ
আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড:
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই মাসে গণহত্যা ঘটিয়ে বিদেশে পালানোর পরও আওয়ামী লীগ বিদেশে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এটি প্রমাণ করে যে দলটি একটি “ফ্যাসিবাদী সংগঠন”, যাদের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো নৈতিক যোগ্যতা নেই।
হামলার বিবরণ:
নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের গায়ে ডিম নিক্ষেপ করে এবং তাসনিম জারাকে কটূক্তি করে।
খোমেনী ইহসান অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ এখনো জুলাই গণহত্যার দায় থেকে শিক্ষা নেয়নি, বরং বিরোধীদের দেখলেই আক্রমণ চালাচ্ছে।
সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা
খোমেনী ইহসান হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বহীনতার কঠোর সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন—
“প্রধান উপদেষ্টার সফরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ছিল। অথচ সরকার কেবল তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, কিন্তু সফরসঙ্গী নেতাদের হামলার মুখে ফেলে ঘটনাস্থল থেকে উধাও হয়ে গেছে।”
তিনি বিশেষভাবে দায়ী করেন—
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত
নিউইয়র্ক কনসাল জেনারেল
প্রোটোকল ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
কারণ, বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল অন্য গেটে, অথচ সফরসঙ্গী নেতাদের সেই গেট দিয়েই বের করা হয় যেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো ছিল।
জুলাই গণহত্যার প্রসঙ্গ
বিবৃতিতে আরও বলা হয়—
২০২৪ সালের চব্বিশের জুলাই গণহত্যা ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অমার্জনীয় অপরাধ।
এ অপরাধে সরাসরি জড়িত ছিল আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠী।
সরকারকে দ্রুত বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানানো হয়।
বলা হয়, গড়িমসি করলে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে, যা নিউইয়র্কের হামলায় স্পষ্ট হয়েছে।
সতর্কবার্তা
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ জনগণ, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানায়—
“ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের উত্থানের বিরুদ্ধে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। সাংবিধানিকভাবে এসব সংগঠন নিষিদ্ধ করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।”