প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ১৮০টিরও বেশি মামলা হয়েছিল।
কর ফাঁকি ও সম্পদ গোপন সংক্রান্ত মামলা (প্রায় ১৫০টির বেশি)।
গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম, শ্রম আইন লঙ্ঘন, বিদেশি অনুদান গ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে ডজনখানেক মামলা।
সরকারি ব্যাখ্যা
কর ও ভ্যাট ফাঁকি
শ্রম আইন লঙ্ঘন
বিদেশি অনুদান গ্রহণে আইন ভঙ্গ
সমালোচকদের দাবি
রাজনৈতিকভাবে ভয় ও ঈর্ষাই মূল কারণ।
হাসিনা সরকার আশঙ্কা করত, বিতাড়িত হলে আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে ড. ইউনূস সামনে আসবেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের পর্যন্ত প্রশ্ন তুলেছিলেন: “কি ফখরুল সাহেব জায়গা দিবেন না?”—যা সরকারের আতঙ্ককেই ইঙ্গিত করেছিল।
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা হলেও, সালমান এফ রহমান বা এস আলম গ্রুপের মতো প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা তখন সরকারের ছায়াতলে নিরাপদ ছিলেন।
এ অবস্থাকে সমালোচকরা বলেন “choose and pick justice”—শাসকদলের হলে ধোয়া তুলসীপাতা, আর না হলে দুর্নীতিবাজ।
আওয়ামী লীগের অংশ বিশেষের ক্ষোভ: ড. ইউনূস ক্ষমতায় এলে তাদের দুর্নীতির সুযোগ হারাবে।
বিএনপি-জামায়াতের তাড়া: দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফেরানোর নামে আসলে ক্ষমতায় ফিরে প্রতিশোধ আর লুটপাটের রাজত্বে ফিরতে চায়।
আন্তর্জাতিক গবেষণা দেখায়, দুর্নীতি ও ধর্মান্ধতা কমানো ছাড়া কোনো দেশ উন্নত হতে পারে না।
ধর্ম পালন ও ধর্মান্ধতা আলাদা বিষয়।
ধর্মান্ধ সমাজে জ্ঞান-বিজ্ঞান বিস্তার পায় না, বরং বিভাজন বাড়ে।
বাংলাদেশকে হতে হবে pluralistic (বহুত্ববাদী) ও inclusive (অন্তর্ভুক্তিমূলক), যেখানে মানুষকে তার কর্ম দিয়ে বিচার করা হবে।
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলাগুলো একদিকে আইন প্রয়োগ হলেও, অন্যদিকে তা রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
এতে বোঝা যায়—বাংলাদেশে আইনের প্রয়োগে এখনও সিলেক্টিভ প্যাটার্ন বিদ্যমান। একইসঙ্গে গণতন্ত্রকে দলগুলো নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে, যা দুর্নীতি ও ধর্মান্ধতার দুষ্টচক্র ভাঙতে বাধা দিচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মামলা রেকর্ড (২০২২–২৩)
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম: বিবিসি, রয়টার্স, আল জাজিরা
জাতীয় দৈনিক: যুগান্তর, প্রথম আলো, সমকাল
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |