| বঙ্গাব্দ

জুলাই আন্দোলন ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক মন্ত্রী পলক ও জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতার

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-08-2025 ইং
  • 3374769 বার পঠিত
জুলাই আন্দোলন ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক মন্ত্রী পলক ও জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতার
ছবির ক্যাপশন: সাবেক মন্ত্রী পলক ও জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতার

জুলাই আন্দোলন ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক মন্ত্রী পলক ও জাহাঙ্গীর আলম গ্রেফতার

প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার কাফরুলে আব্দুল আলিম নামে এক ব্যক্তির হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রদ্রোহ ও জনগণের ভোট ছাড়া নির্বাচন সম্পন্ন করার অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত।

গ্রেফতার আদেশ:
সোমবার (২৫ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা পৃথক দুই আবেদনের শুনানি নিয়ে তাদের গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। পলককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছিলেন কাফরুল থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শাহ আলম, আর জাহাঙ্গীর আলমের ক্ষেত্রে পিবিআই’র পরিদর্শক সৈয়দ সাজেদুর রহমান আবেদন করেছিলেন।

পলক ও জাহাঙ্গীর আলমের মামলা:
পলকের বিরুদ্ধে মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জুলাই আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই কাফরুলের আরমান মেইনারের গেটের সামনে গুলিবিদ্ধ হন আব্দুল আলিম। তার চোখে গুলি লাগে, এবং দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর ১ এপ্রিল তিনি মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২২ জুন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ‘পালন না করে’ ভয়ের মধ্যে জনগণের ভোট ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছিল। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান এর বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার আসামিরা:
এই মামলায় ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযোগে সাবেক সিইসি কাজী রকিব উদ্দীন আহমদ, এ কে এম নূরুল হুদা, কাজী হাবিবুল আউয়াল, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, এ কে এম শহীদুল হক, জাবেদ পাটোয়ারী, বেনজির আহমেদ এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগের বিস্তারিত:
এ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় ‘গায়েবী মামলা, অপহরণ, গুম খুন ও নির্যাতনের’ মাধ্যমে বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্বাচনি প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। অভিযোগে বলা হয়, ভোটের কাজ সম্পন্ন করার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে মিথ্যাভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল, যদিও জনগণ ভোট দেয়নি।

প্রমাণ ও সাক্ষী:
মামলায় বেশ কিছু ভোট কেন্দ্রের ভোটার, প্রিজাইডিং অফিসার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে। তাদের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা এবং ভোটের সঠিক অবস্থা উন্মোচন করা হবে।


সূত্র:

  1. The Daily Star

  2. Prothom Alo

  3. Bangladesh Pratidin

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency