| বঙ্গাব্দ

বিতর্কিত বক্তব্য ভাইরাল, তাসনিম আফরোজ ইমি এবার বাম জোট থেকে ডাকসুর ভিপি প্রার্থী

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 19-08-2025 ইং
  • 3421791 বার পঠিত
বিতর্কিত বক্তব্য ভাইরাল, তাসনিম আফরোজ ইমি এবার বাম জোট থেকে ডাকসুর ভিপি প্রার্থী
ছবির ক্যাপশন: তাসনিম আফরোজ ইমি

বিতর্কিত বক্তব্য ঘিরে আলোচনায় ইমি, এবার বাম জোট থেকে ডাকসুর ভিপি প্রার্থী

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে শামসুন্নাহার হলের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে জয়ী হওয়ার পর এবার তিনি বাম গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের প্রার্থী হয়ে ডাকসুর ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে পুরনো এক বিতর্কিত বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় এনেছে তাকে।

২০১৯ সালের টক শো বিতর্ক

  • ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর এক টক শোতে ইমি বলেছিলেন—
    “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন, ডাকসু নির্বাচনের আয়োজন আন্তরিকভাবে করেছেন, তাই অন্তত কৃতজ্ঞতাবশত হলেও তাকে আজীবন সদস্য ঘোষণা করা উচিত।”

  • ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন ভিপি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী

  • নুর এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করলেও ইমি ছিলেন সমর্থনে।

পরে ২০১৯ সালের ৩০ মে ডাকসুর দ্বিতীয় কার্যনির্বাহী সভায় শেখ হাসিনাকে আজীবন ডাকসু সদস্য ঘোষণা করা হয়। তবে এ সিদ্ধান্তে নুরুল হক নুর এবং সমাজসেবা সম্পাদক (বর্তমানে এনসিপির সদস্য সচিব) আখতার হোসেন স্বাক্ষর করেননি।

ভাইরাল বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইমি

সাম্প্রতিক সময়ে ইমির সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও ভাইরাল হয়। এ নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়লে তিনি ফেসবুকে লিখেছেন—

  • “২০১৯ সালে শেখ হাসিনাকে আজীবন ডাকসু সদস্য করার ব্যাপারে আমার বক্তব্যের কিছু খণ্ডিত অংশ প্রচার করা হচ্ছে। অনেকেই আমার বর্তমান অবস্থান জানতে চাইছেন। আমার অবস্থান পরিষ্কার— আমি নিরপরাধ মানুষ এবং ছাত্রখুনের নির্দেশ দাতার সর্বোচ্চ বিচার চাই। ফুলস্টপ।”

প্রেক্ষাপট

  • ডাকসুতে আজীবন সদস্য করার প্রস্তাবটি ছিল অত্যন্ত বিতর্কিত।

  • শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছিলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির স্বাধীনতাকে খর্ব করে।

  • এখন ইমি বাম গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় আবারও তার পুরনো অবস্থান সামনে চলে এসেছে।

বিশ্লেষণ

১. রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন: ২০১৯ সালে যাকে সমর্থন করেছিলেন, আজ সেই শেখ হাসিনার বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন ইমি।
২. ছাত্ররাজনীতিতে বার্তা: ভাইরাল হওয়া বক্তব্য বামপন্থী সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।
৩. নির্বাচনী প্রভাব: বিতর্ক তার জনপ্রিয়তায় প্রভাব ফেলতে পারে, আবার সমালোচনার মুখে স্পষ্ট অবস্থান জানানোয় সমর্থনও বাড়তে পারে।


সূত্র

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency