প্রকাশকাল: ১৮ জুলাই ২০২৫ | সংবাদদাতা: নিজস্ব প্রতিবেদক
“যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন উচ্চারিত হবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ, আহত ও সংগ্রামীদের নাম।”
– শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে প্রতীকী ম্যারাথন শেষে এ কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
উপদেষ্টা বলেন, “জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি শুধু ইতিহাস নয়, তা হয়ে উঠেছে আমাদের জাতীয় চেতনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।” তিনি আরও যোগ করেন, “জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন একটি ম্যারাথনের মতো—সময় যতই লাগুক, দেশপ্রেম ও সংগ্রামের শক্তিতে আমরা সেই স্বপ্ন পূরণ করব।”
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রতীকী ম্যারাথনে শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত মুক্তিযোদ্ধা এবং তরুণ প্রজন্মের প্রায় সাত শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন।
আয়োজনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল আবেগঘন পরিবেশ। ম্যারাথন শেষে শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং আহতদের প্রতি জানানো হয় কৃতজ্ঞতা। আয়োজকদের ভাষায়, “জুলাই চেতনাকে তরুণদের হৃদয়ে স্থায়ীভাবে রোপণ করতেই এই আয়োজন।”
উপদেষ্টা সজীব ভূঁইয়া বলেন, “আজকের ম্যারাথনে যেমন কারও পেশাদার ট্রেনিং ছিল না, তেমনি জুলাইয়ের লড়াকুরাও কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই লেথেল ওয়েপনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। এটা সাহস আর আত্মত্যাগের পরিচয়।”
তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর নাগরিক মর্যাদা ও সাম্যের জন্য যে লড়াই জুলাইয়ে হয়েছিল, তা কেবল সময়ের প্রতিবাদ ছিল না—বরং ছিল একটি নতুন রাষ্ট্রকাঠামোর স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন এখনো অসম্পূর্ণ। সেই কাজ সম্পন্ন করতে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।”
২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার ও নাগরিক অধিকার আদায়ের দাবিতে দেশজুড়ে গড়ে ওঠা তরুণদের আন্দোলন রূপ নেয় ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ গণঅভ্যুত্থানে। সরকারি দমন-পীড়নের মুখেও সেই আন্দোলন সৃষ্টি করে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক মানচিত্রে গভীর পরিবর্তনের সম্ভাবনা।
বর্তমানে এই আন্দোলনের শহীদ, আহত এবং অংশগ্রহণকারীদের স্মরণে জুলাই-আগস্ট মাসে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |