বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন দাবি করেছেন, কে বা কারা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগরভবনে তালা দিয়েছে, তা তিনি জানেন না। তিনি বলেন, “আমার কোনো নির্দেশে কেউ তালা দেয়নি। বরং সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে সেবা বন্ধ করতে ষড়যন্ত্র করছে।”
সংবিধান ও আদালতের রায় উপেক্ষার অভিযোগ
ইশরাক বলেন, আদালতের রায় ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুসারে তার শপথ নিতে কোনো আইনি বাধা ছিল না। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সেটি মানেনি, যা সরাসরি সংবিধান লঙ্ঘন ও নিরপেক্ষতা হারানোর প্রমাণ।
নগরবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের দাবি
তিনি জানান, নগরবাসী তার প্রতি অন্যায় দেখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে এসেছিল। এমনকি ডিএসসিসির অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীও আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন। তবে কাউকে নগর ভবনে তালা দিতে বলা হয়নি।
সরকারি ষড়যন্ত্র ও সেবাবঞ্চনার অভিযোগ
ইশরাক অভিযোগ করেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ইচ্ছাকৃতভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে যেতে নিষেধ করেছে। উদ্দেশ্য ছিল, নগরসেবা বন্ধ রেখে তার ভাবমূর্তি নষ্ট করা। “সেবা বিঘ্নিত করেই সরকার আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে চায়,” বলেন তিনি।
তালা খুলবে কে?
তালা খোলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নগরভবন সচল রাখা যাদের দায়িত্ব, তাদের উচিত তালা খোলা। আমি বিশ্বাস করি না আমার সমর্থকেরা তালা দিয়েছে।”
দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসরণ এবং আন্দোলনের সফলতা
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি কখনো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু করিনি।” এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারের পক্ষপাতমূলক আচরণ ও নির্বাচন ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করা।
ডিএসসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশে থাকার ঘোষণা
আন্দোলনে যুক্ত কর্মচারীদের শাস্তির বিষয়ে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে আরও বড় আন্দোলন হবে।”
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |