আমরা যখন শ্বাস নেই, তখন অক্সিজেন গ্রহণ করি। কিন্তু এই অক্সিজেন কীভাবে কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয়? তার সহজ উত্তর হলো শ্বসন।
জীবদেহ একটি বিশাল রাসায়নিক বিক্রিয়ার স্থান। প্রতিটি কোষে লাখ লাখ রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে প্রতি সেকেন্ডে। শ্বসন হলো একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যেখানে গ্লুকোজ এবং অক্সিজেন বিক্রিয়া করে শক্তি, পানি, এবং কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) উৎপন্ন হয়। এই শক্তি আমাদের দেহের কাজকর্ম চালাতে সাহায্য করে।
খাবার থেকে গ্লুকোজ তৈরি: আমরা যা খাই, তা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়।
গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ: গ্লুকোজ দেহের কোষে প্রবেশ করে।
অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া: কোষে গ্লুকোজের সঙ্গে অক্সিজেন (O₂) বিক্রিয়া করে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন হয়।
কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপাদন: এই বিক্রিয়ার ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) উৎপন্ন হয়, যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
CO₂ বাহিরে ত্যাগ: CO₂ রক্তের মাধ্যমে ফুসফুসে পৌঁছায়, এবং তারপর আমরা এটি নিঃশ্বাসের মাধ্যমে বাতাসে ত্যাগ করি।
এটি একটি সহজ রাসায়নিক সমীকরণ:
এখানে:
C₆H₁₂O₆ = গ্লুকোজ
O₂ = অক্সিজেন
CO₂ = কার্বন ডাই অক্সাইড
ATP = শক্তি
নিম্নশ্রেণীর জীবেরা (যেমন ব্যাকটেরিয়া) অক্সিজেন ব্যবহার না করে, তারা এনজাইমের মাধ্যমে শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পাদন করে। তবে তারাও CO₂ তৈরি করে এবং তা বাহিরে ত্যাগ করে।
বিশ্বের একমাত্র জীব H. salminicola বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এমন এক জীব, যা শ্বসন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় না। এটি অক্সিজেন গ্রহণ করে না এবং CO₂ ত্যাগও করে না!
উপসংহার: অক্সিজেন গ্রহণের পর, এটি আমাদের দেহে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, এবং ফলস্বরূপ কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়ে শরীর থেকে বাহিরে চলে যায়। এটি শ্বসন প্রক্রিয়ার একটি প্রাকৃতিক অংশ।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |